‘আমিও ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম’

বাঙালির ইতিহাস ছাত্রলীগের ইতিহাস বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘বাঙালির ইতিহাস ছাত্রলীগের ইতিহাস। প্রতিটি আন্দোলনে ছাত্রলীগের অবদান রয়েছে। দেশের সব আন্দোলন সংগ্রামে আওয়ামী লীগের পাশাপাশি ছাত্রলীগও ছিল। আন্দোলন গড়ে তোলায় আওয়ামী লীগের পাশাপাশি ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল।’

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। সেই সংগ্রামেও ছাত্রলীগ ছিল। ‘৬৯ এর গণঅভ্যত্থানে ছাত্রলীগের ভূমিকা আছে। আমিও ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিলাম। মুক্তিযুদ্ধেও এ সংগঠনের অবদান আছে। আমাদের বহু সহকর্মী প্রাণ দিয়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধে।’

ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দের সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তার বক্তব্য শুরু করেন শেখ হাসিনা। বক্তব্যের শুরুতে সর্বকালে সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ চার জাতীয় নেতা, একাত্তরে নির্যাতিত মা-বোনের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘৭৫-এর পরে দেশে ফিরে এসেছিলাম একটাই উদ্দেশ্যে তা হলো- মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আবার দেশকে গড়ে তোলা। দেশকে আবার বিশ্বমর্যাদায় অধিষ্ঠিত করার জন্যই আমি দেশে ফিরে এসেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ছাত্রলীগ দুয়ারে দুয়ারে গিয়েছে নৌকায় ভোট চাওয়ার জন্য। ১৯৭৫-এর পর ক্যান্টনমেন্ট থেকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ছাত্রলীগ ভূমিকা রেখেছে। বিএনপি-জামায়াত অস্ত্র দিয়ে সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিপথে নিয়ে গেছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন পরিস্থিতি থেকে ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রেখেছে ছাত্রলীগ।