এলার্জি থেকে শিশুকে বাঁচার উপায়

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে, ১৯৯৭ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে শিশুদের মধ্যে এলার্জি সমস্যা বেড়ে গেছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

শিশুকে রোগমুক্ত রাখতে মা-বাবা বেশি সতর্কতা অবলম্বন করেন। যার ফলে শিশুদের শরীরে ‘ইমিউনিটি সিস্টেম’ ঠিক মতো কাজ করেনা। ফলে, খুব সহজেই শিশুরা নানা ধরনের এলার্জিতে আক্রান্ত হয়।

এলার্জি থেকে বাঁচার পদ্ধতি
বাড়িতে কোনও পোষ্য থাকলে, অবশ্যই তার সঙ্গে শিশুরা খেলা করে। কানাডায় প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুয়ায়ী, পোষ্যের গায়ের লোম, মুখের লালা, হাতে-পায়ের ধুলো থেকে যে ধরনের এলার্জি হতে পারে, তার অ্যান্টিবডি তৈরি হয় শিশুদের পাকস্থলীতে।

আপনার শিশুকে ছোট থেকেই সব ধরনের খাবার, ফল ও সবজি খাওয়ানোর অভ্যাস করান। পারলে গরুর দুধও খাওয়ান একেবারে ছোট থেকে। এর ফলে, খাদ্যজাত এলার্জির হাত থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকবে সে।

শিশুদের মধ্যে হাঁপানি বর্তমানে খুবই দেখা যায়। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় ভিটামিন ডি সেবন করলে শিশুদের মধ্যে হাঁপানি ও অন্যান্য শ্বাসজনিত রোগের হার অনেকটাই কমে যায়।

শিশুদের জন্মের পরে, ৪ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ অত্যন্ত জরুরি। এর ফলে শুধুমাত্র হাঁপানি নয়, অন্যান্য অনেক ধরনের এলার্জির হারই কমে যায় শিশুদের দেহে।

শিশুদের কাছাকাছি কোনওভাবেই ধুমপান করা উচিত নয়। এমনকি, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মাকেও ধূমপান না করার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

বেশি মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খেলেও অ্যালার্জির সমস্যা হয়।