আজকের দিন-তারিখ
  • বৃহস্পতিবার ( সকাল ৭:৩৬ )
  • ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
  • ১লা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী
  • ৬ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ ( শরৎকাল )

কাতারের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না সৌদি

0

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি (বাঁয়ে) ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। সূত্র: পেনিনসুলাকাতারের সঙ্গে আলোচনার পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। ৮ সেপ্টেম্বর কাতারের আমির ও সৌদি যুবরাজের মধ্যে হওয়া ফোনালাপের পর রিয়াদের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে।

এ-সম্পর্কিত এক প্রতিবেদনে আল জাজিরা জানায়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির মধ্যে ফোনালাপের ঘটনা উপসাগরীয় অঞ্চলে বিদ্যমান সংকট নিরসনের আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়েছে। কাতারের ওপর সৌদি নেতৃত্বাধীন চার দেশের অবরোধ আরোপের পর কেটে গেছে তিন মাস। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ উদ্যোগ নিলেও এখন পর্যন্ত এর কোনো সুফল পাওয়া যায়নি। একাধিকবার আলোচনার আহ্বান জানানো হলেও সৌদি আরবসহ অবরোধকারী দেশগুলোর দিক থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। অবশেষে ৮ সেপ্টেম্বর সংকট শুরুর পর প্রথমবারের মতো সৌদি যুবরাজ ও কাতারের আমিরের মধ্যে ফোনালাপ হয়। এতে দুই নেতাই আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন বলে দোহা ও রিয়াদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধে প্রোটোকল নিয়ে। কাতার নিউজ এজেন্সির খবরে ফোনকলটি যে দোহা থেকে করা হয়েছিল, তার উল্লেখ না থাকায় রুষ্ট হয়েছে রিয়াদ। আর এটিই মধ্যপ্রাচ্যের এ কূটনৈতিক সংকট নিরসনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কাতার নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই নেতার মধ্যে হওয়া ফোনালাপটি সমন্বয় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফোনালাপে শেখ তামিম ও মোহাম্মদ বিন সালমান দুজনই গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) ঐক্য ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। উদ্ভূত সংকট নিরসনে দুজন দূত নিয়োগের বিষয়ে সৌদি যুবরাজের দেওয়া প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন কাতারের আমির। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সার্বভৌমত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কাতার নিউজ এজেন্সির এ সংবাদ নিয়েই আপত্তি সৌদি আরবের। সৌদি রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা এসপিএ প্রকাশিত এ-বিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়, সংকট নিরসনে আলোচনার প্রস্তাব ও ফোনকল দুইটিই এসেছে কাতারের দিক থেকে। আর এ ফোনকলে কাতারের আমির অবরোধকারী চার দেশের দেওয়া শর্তগুলো নিয়ে আলোচনার বিষয়ে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), বাহরাইন ও মিসরের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।

Share.

Comments are closed.