/বিজিএমইএ ভবনে হামলা, আহত ২

বিজিএমইএ ভবনে হামলা, আহত ২

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ ভবনে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বন্ধ পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে অবস্থান থেকে হঠাৎ হামলা করা হয়। এতে দু’জন আহত হয়েছেন। বিজিএমইএ কর্মকর্তাদের দাবি, ‘সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে।’

প্রথমে বিজিএমইএ ভবনের ভেতর ও বাইরে ভবনের কাচসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ভাঙচুর করা হয়। এক পর্যায়ে একটি গাড়ি ভাঙচুর করলে বিজিএমইএর কর্মীরা হামলাকারীদের বাধা দিতে যান। এতে দুই কর্মী আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রাজধানীর রামপুরার আশিয়ানা নামের একটি পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকরা সকালে বিজিএমইএ ভবনের সামনে জড়ো হন। এ সময় তাদের হাতে লোহার পাইপ ও লাঠিসোঁটা দেখা যায়। গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের ব্যানারে সেখানে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তারা। এক পর্যায়ে বিজিএমইএ ভবনের গেটের সামনে থেকে হঠাৎ ভেতর প্রবেশ করে হামলা চালান। এতে ভবনের লিফট, নিরাপত্তা তল্লাশির জন্য রাখা আর্চওয়ে ও স্ক্যানার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর শ্রমিকদের একটি দল বিজিএমইএ ভবনের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা একটি গাড়ি ও ভবনের বাইরের কয়েকটি কাচ ভাঙচুর করেন। ভবন থেকে নিরাপত্তারক্ষী ও কর্মীরা তাদের বাধা দিতে গেলে দুই কর্মী আহত হন।

রমনা থানার এসআই আব্দুল কুদ্দুস জানান, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিজিএমইএ ভবনে হামলার খবর পেয়ে ছুটে আসি। এসে দেখি, ভবনের ভেতর ও বাইরের কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে।

বিজিএমইএ সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নাছির সমকালকে অভিযোগ করেন, এটা একটা পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা। তাদের কোনো দাবি দাওয়া থাকতে পারে। সেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু আলোচনা ছাড়াই তারা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। এতে বিজিএমইএ ভবনের দুই কর্মী আহত হয়েছেন।

তিনি বলেন, হামলাকারীদের হাতে লাঠিসোটা ও লোহার পাইপ ছিল। এটা প্রমাণ করে তারা হামলার প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিল। হামলাকারী সন্ত্রাসীদের অন্য কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে। আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

খবরটি সবার সাথে শেয়ার করুন !