বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিতে ২ কমিটি

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এ লক্ষ্যে বুধবার দুটি কমিটি গঠন করেছে এ বিভাগ। এর একটি হলো-এমপিওভুক্তির শর্তপূরণ করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রস্তুতের জন্য ‘অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা’ কমিটি এবং অন্যটি হচ্ছে ‘এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই’ কমিটি।

অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ ও ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান (সভাপতি) করা হয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহকে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-১), এই বিভাগের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) একজন প্রতিনিধি, ইলেক্ট্রনিক ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (ইএমআইএস) সেলের সিনিয়র সিস্টেম এনালিস্ট, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, একই অধিদপ্তরের একজন প্রোগ্রামার এবং ব্যানবেইসের সিস্টেম এনালিস্ট।

এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মাহামুদ-উল-হককে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— ব্যানবেইসের মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (আইন), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (কলেজ), উপসচিব (বাজেট), সিনিয়র সহকারী সচিব (বাজেট) এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে যুগ্মসচিবকে (বেসরকারি মাধ্যমিক-৩)।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদন করা প্রতিষ্ঠানগুলো শর্তপূরণ করেছে কি-না, তা যাচাই করা হবে। শর্তপূরণ করা প্রতিষ্ঠানগুলো নম্বরের ভিত্তিতে এমপিভুক্ত হবে।’

এদিকে গত ১০ জুন থেকে এমপিওভুক্তির দাবিতে বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষকরা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলন করছেন। সর্বশেষ তারা আমরণ অনশনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে এক হাজার বা তার কিছু বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করবে সরকার।

আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে পাঁচ হাজার ২৪২টি। এছাড়া সরকার নতুন করে ১৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দিয়েছে। তাদের দাবি, এর সবগুলোকেই এমপিওভুক্ত করতে হবে।