সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন দৌড়ে শিক্ষকরা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষাবিদ মনোনয়নের দৌড়ে নেমেছেন। নির্বাচনী প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তারা। ঘন ঘন যাচ্ছেন নির্বাচনী এলাকায়। যোগাযোগ রাখছেন দলের শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে। এ তালিকায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন সাবেক উপাচার্যও রয়েছেন। তা ছাড়া জাতীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে আগে থেকেই যুক্ত ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত শিক্ষাবিদরাও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন চাইছেন কয়েকজন শিক্ষক নেতা। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য, বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (বাকবিশিস) নেতা অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা। তিনি আবারও নীলফামারী-৩ (জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জের আংশিক) আসনে নৌকা প্রতীকে লড়াই করতে চান। নিজ এলাকার সঙ্গে তার যোগাযোগও বেশ নিবিড়।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (আশুগঞ্জ-সরাইল) আসন থেকে নির্বাচন করতে চান শিক্ষকদের আরেক সংগঠন স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম সাজু। তিনি ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সহসভাপতিও ছিলেন।

মো. শাহজাহান আলম সাজু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট’ এর সদস্য সচিব। তিনি বলেন, ১৯৭৩ সালের পর এ আসনটি আওয়ামী লীগ আর কখনও পায়নি। মনোনয়ন পেলে আসনটি আওয়ামী লীগকে উপহার  দিতে পারবেন বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এদিকে জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসন থেকে নির্বাচন করতে চান বাংলাদেশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (বাকবিশিস) কার্যকরী সভাপতি অধ্যক্ষ মো. আবদুর রশীদ। তিনি রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ এবং তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি।

অধ্যক্ষ মো. আবদুর রশীদ জানান, দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে তিনি ভীষণ আশাবাদী। কারণ সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি এবং জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকা-১১ এবং জামালপুর-৪ আসনে একাধিকবার নির্বাচনী প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে কাজও করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন শাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স সম্পন্নকারী অধ্যক্ষ মো. আবদুর রশীদ রসায়ন বিভাগের ছাত্র সংসদের নির্বাচিত সহসভাপতিও ছিলেন। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান আওয়ামী লীগ সমর্থিত শিক্ষক সংগঠনের বৃহত্তম মোর্চা ‘জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্ট’-এর আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির (বাকশিস) সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হক। তিনি শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও রাজধানীর তেজগাঁও মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ।

আসাদুল হক বলেন, ৪০ বছর ধরে তিনি করিমগঞ্জ-তাড়াইল এলাকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কাজে সম্পৃক্ত। এক যুগ ধরে নিবিড়ভাবে আওয়ামী লীগের সব কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি এলাকায় নিয়মিত জনসংযোগও করছেন। দলীয় মনোনয়ন পাবেন বলে আশা করছেন তিনি। এ আসনের বর্তমান এমপি জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু। তিনি শ্রম প্রতিমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ থেকে আরও নির্বাচন করতে চান উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য এবং নেত্রকোনার সুসং কলেজের উপাধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন চাইবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী ফেনী-১ আসন থেকে দলের মনোনয়ন পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। তবে তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, নির্বাচন করতে তিনি আগ্রহী নন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যলয়ের সাবেক ভিসি এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. এম এ খালেকের ভাতিজি অধ্যাপক মেরিনা জাহান কবিতা সিরাজগঞ্জ-৬ আসন থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ। মেরিনা জাহান কবিতার ভাই চয়ন ইসলাম এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক সুলতানা শফি এবং ‘খেলাঘরে’র চেয়ারম্যান সাবেক সাংসদ অধ্যাপক পান্না কায়সার কুমিল্লা থেকে নির্বাচন করার আশা প্রকাশ করেছেন। পাবনা-১ (বেড়া-সাঁথিয়া) থেকে অধ্যাপক আবু সাইয়িদ (স্বতন্ত্র) এবং মৌলভীবাজার-৪ থেকে উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ নৌকা প্রতীকে আবারও নির্বাচন করতে চান।

এ ছাড়া আওয়ামী লীগ থেকে কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ও বর্তমান সংসদ সদস্য ড. হামিদা বানু শোভা নীলফামারী-১, সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান সংসদ সদস্য অধ্যাপক এম আমান উল্লাহ ময়মনসিংহ-১১, অধ্যাপক এম এ মান্নান কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেন। এ ছাড়া মুন্সীগঞ্জ-২ থেকে বর্তমান এমপি অধ্যাপিকা সেগুফতা ইয়াসমিন এমিলি এবং ময়মনসিংহ-৫ থেকে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান নির্বাচন করবেন।

বিএনপি থেকেও মনোনয়ন চাইবেন বেশ কয়েকজন শিক্ষক নেতা। রাজধানীর ডেমরা-যাত্রাবাড়ী (ঢাকা-৫) আসন থেকে নির্বাচন করতে চান বিএনপি সমর্থিত শিক্ষকদের বৃহত্তম মোর্চা ‘শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটে’র চেয়ারম্যান এবং দলের কেন্দ্রীয় গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া।

নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ডেমরা-যাত্রাবাড়ী এলাকার ভোটারদের ৮০ শতাংশই বৃহত্তর কুমিল্লা এলাকার। তাই দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি এ আসনটি বিএনপিকে উপহার দিতে পারবেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে তার নামে একে একে ২৩টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আদালতে হাজিরা দিতে দিতে ক্লান্ত তিনি। খুব দ্রুতই গণসংযোগে নামবেন বলে জানান তিনি।

মেহেরপুর-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের অতিরিক্ত মহাসচিব এবং বাংলাদেশ প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. জাকির হোসেন। রাজধানীর জনতাবাগ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন বিএনপির মেহেরপুর জেলা কমিটির সদস্য।

তিনি বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি দল ভাঙার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন। নেত্রী খালেদা জিয়ার ডাকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে রাজপথে সোচ্চার থেকেছেন। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও দলের পক্ষে কাজ করেছেন। মেহেরপুরের মানুষ সৎ এবং মেধাবী নতুন মুখকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।

নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেতে ইচ্ছুক শিক্ষক নেতাদের মধ্যে আরও রয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের পিরোজপুর জেলা সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, অধ্যক্ষ সমিতির সভাপতি, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের সাবেক এমপি অধ্যক্ষ আবদুল মান্নান। গোবিন্দগঞ্জের শিক্ষক নেতা ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. আমিনুল ইসলামও মনোনয়ন চাইছেন। এ ছাড়া জয়পুরহাটের শহীদ জিয়া কলেজের অধ্যক্ষ শামসুল হক নিজ এলাকায়, কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে অধ্যাপক তোফাজ্জল হোসেন বাদল, বগুড়ার শিবগঞ্জে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ আলম, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আনোয়ার হোসেন বাদশা, ময়মনসিংহ সদরে পৌর বিএনপির সেক্রেটারি অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে অধ্যাপক সারোয়ার জাহান দোলন, যশোরের মনিরামপুরে অধ্যাপক ফিরোজা বুলবুল কলি এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে প্রভাষক মনজুরুল ইসলাম দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। তারা প্রত্যেকেই বিএনপি সমর্থিত শিক্ষক সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্বশীল পদে রয়েছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে সাদা দল সমর্থিত অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করতে চান বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ থেকে। তিনি বিএনপির শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক। ঢাবি শিক্ষক সমিতির সাবেক নেতা অধ্যাপক মামুন আহমেদ নোয়াখালীর একটি আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচন করতে পারেন বলে আলোচনা আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপি সমর্থিত বেশ কয়েকজন শিক্ষাবিদ ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী ছিলেন। তবে এবার তাদের তেমন কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরী। তিনি সে সময়ে ফেনী-৩ (সদর ও দাগনভূঞার একাংশ) আসন থেকে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে নির্বাচনী এলাকায় তার যাতায়াত নেই। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাবেক সদস্য অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানও চেয়েছিলেন নীলফামারী-২ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে নির্বাচন করতে। এবার তিনিও নির্বাচনী এলাকায় কোনো আলোচনায় নেই। একইভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলাউদ্দিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে আর নির্বাচন করছেন না।

তবে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এম এ মান্নান এবার সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ায় তাকে গাজীপুর-২ আসনে মনোনয়ন দিতে পারে বিএনপি। মনোনয়ন পেলে তিনি নির্বাচন করবেন বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠরা। এক সময়ে সাংবাদিক নির্যাতনের দায়ে সারাদেশে ব্যাপকভাবে সমালোচিত অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম কুষ্টিয়া-২ আসনে আবারও নির্বাচনের জোরালো প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একই দল থেকে অধ্যাপক কাজী গোলাম মোর্শেদ নাটোর-৩ থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক এবং সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লার দাউদকান্দি এবং ড. আবদুল মঈন খান নরসিংদী-২ (পলাশ) থেকে নির্বাচন করবেন। তারা দু’জনই এলাকায় যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের শিক্ষক এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম. ওসমান ফারুক নির্বাচন করবেন কিশোরগঞ্জ-৪ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) থেকে। তিনি বর্তমানে যুদ্ধাপরাধের দায় মাথায় নিয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে রয়েছেন।

এর পাশাপাশি জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) থেকে সাবেক এমপি অধ্যাপক টিআইএম ফজলে রাব্বী নির্বাচন করতে পারেন গাইবান্ধা-৩ আসনে। তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, যদি তিনি ২০ দলীয় জোটের মনোনয়ন পান, তবেই নির্বাচন করবেন।

অন্যদিকে, চারদলীয় জোটের অন্যতম শরিক দল জামায়াতে ইসলামী থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দলের খুলনা মহানগর আমির ও খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ও সাবেক সাংসদ অধ্যক্ষ এম রুহুল কুদ্দুস সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) থেকে আবারও নির্বাচন করতে চাইছেন বলে জানা গেছে।