সিরাজগঞ্জে বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে ১০গ্রাম

সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও পানির প্রবল চাপে বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা চৌধূরীবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন বাঁধের ২০ মিটার এলাকায় ভাঙনের পর শুক্রবার ধসের বিস্তৃতি বেড়ে ৪০ মিটারে দাড়ায়। রাত থেকেই বাধের ধস নিয়ন্ত্রণে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সেনাবাহিনী সংস্কারে কাজ করছে। বাঁধ ধসের কারণে এ ইউনিয়নে প্রায় ১০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। নষ্ট হয়েছে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম জানান, বঙ্গবন্ধু সেতুর পুর্বপাড়ে অবস্থিত সেনা ক্যাম্পের ১১ পদাতিক ডিভিশন রিভার কোরের মেজর সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ প্রচেষ্টায় ভেঙে যাওয়া প্রায় ৪০ মিটার বাধ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। রাত ২টা থেকে কাজ শুরুর পর থেকে সেখানে বাঁশের পাইলিং, বালি ভর্তি জিওব্যাগ ও প্লাস্টিকের বস্তা ফেলা হচ্ছে। আশা করছি শুক্রবার দুপুরের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ হবে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে যমুনা নদীর পানির প্রবল চাপে ভাঙন স্থান দিয়ে পানি প্রবেশ করে বাহুকা, ইটালি, সিমলা, বালিঘুগরি, চিলগাছা, ভেওয়ামারা, গজারিয়া ও পাঁচ ঠাকুরীসহ আশপাশের এলাকা প্লাবিত হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এসব এলাকার বেশ কিছু আতঙ্কিত লোকজন রাতেই বাড়িঘর সরিয়ে অন্যত্র নেয়। সংবাদ পেয়ে রাতে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি ইঞ্জি. তানভীর শাকিল জয়, জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দিকা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শক করেন।