শীর্ষ সংবাদ

জাতীয়

রাজনীতি

সারাদেশ

সারাদেশ
0

শুধু পশু কেনা নয়, এর পাশাপাশি মাংস কাটা আর সংগ্রহের উপযোগী জিনিসপত্র কিনছেনক্রেতারা। তাই সড়কের মোড়ে মোড়ে বিক্রি হচ্ছে চাটাই, টুকরি ও গাছের গুঁড়ি। চকবাজার মসজিদগলিতে চাটাই, গাছের গুঁড়ি নিয়ে বসেছেন মৌসুমী বিক্রেতা রফিক মিয়া। ছোট বড় নানানআকারের গাছের গুঁড়ি আর চাটাই বিক্রি করছেন তিনি। আকারভেদে প্রতিটি গাছের গুঁড়ির দাম১০০ টাকা, ১৫০ টাকা, ২০০ টাকা, ৩০০ টাকা, ৪০০ টাকা। এছাড়া চাটাই বিক্রি করছেন ১৫০ থেকে৩০০ টাকায়। রফিক মিয়া জানান, নিজেদের লাগানো তেতুল গাছ থেকেই এই গুঁড়ি তৈরি করে এনেছেন বিক্রিকরতে। তার আরেক ভাই মো. শফিক মিয়া বিবির হাট পশু বাজারেই বসেছেন গাছের গুঁড়ি আরচাটাই নিয়ে। আর চাটাইগুলো পটিয়ার থানার হাট থেকে কিনে এনে বিক্রি করছেন এখানে। বিক্রিকেমন? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গতকাল থেকেই বিক্রি ভালো। দিনে ১০টি থেকে ১৫টিগাছের গুঁড়ি বিক্রি হচ্ছে। আর চাটাইয়ের চাহিদা ভালো। মুরাদপুর মোড়েই বাঁশের ঝুড়ি, চাটাই, গাছের গুঁড়ি, নানান আকারের দা, বটি নিয়ে বসেছেন রহমত উল্লাহ। সঙ্গে আছে তার দা–বটি শান দেওয়ারমেশিন। একই সঙ্গে ঝুড়ি, চাটাই, গাছের গুঁড়ি কেনার পাশাপাশি অনেকে দা–বটি শান দিয়েনিচ্ছেন এখানে। তবে দা বটি শান দেওয়ার কাজটি করছেন রহমত উল্লাহর সহকারী শামসু। তারাবলেন রিয়াজউদ্দিন বাজার থেকে এখানে এসেছেন তারা। সেখানে তাদের দা–বটি তৈরির কারখানাআছে। ভালো বিক্রির আশায় এখানে আসা। তাই ভালো বিক্রি হওয়াতে খুশি রহমত উল্লাহ। তারএখানে মাঝারি আকারের বাঁশের ঝুড়ি পাওয়া যাচ্ছে ১০০ টাকায়। আকারভেদে গাছের গুঁড়ির মূল্য১০০–২৫০ টাকায়, চাটাই ১০০ থেকে ৩০০ টাকায়। দা– বটি শান দিতে নেওয়া হচ্ছে ২০ থেকে ৫০টাকা। এভাবেই নগরীর হাটবাজার আর রাস্তার মোড়ে মোড়ে এমন সামগ্রী নিয়ে বসেছেন মৌসুমীক্রেতারা। লাভ ক্রেতাদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি কিছু আয়। তবে বিক্রেতারা বলছেনআজ থেকে দ্বিগুণ বিক্রি হবে এসব সামগ্রীর।

শিক্ষাঙ্গন

বিশ্ব সংবাদ

বিনোদন

খেলাধুলা

বিজ্ঞান ও টেক

প্রবাস