আমার ত্রাণ দিতে যেন আইডি কার্ড না চাওয়া হয় : যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি

আমার ত্রাণের বরাদ্দগুলো দিতে যেন কারো কাছে আইডি কার্ড না চাওয়া হয়: যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের সকল কর্মকাণ্ড।

দেশের এমন পরিস্থিতিতে কর্মহীন দিনমজুর, দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে নিজ উদ্যোগে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি।

প্রতিমন্ত্রী তার নিজ এলাকা গাজীপুরে মোট ৫০ হাজার দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রি বিতরণ করছেন। এসব ত্রাণ বিতরণের মাঝে প্রথম ধাপে চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে ২০ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্রসামগ্রি বিতরণ করা হয়। এবার দ্বিতীয় ধাপে বাকি ৩০ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন।

দ্বিতীয় ধাপের ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী নিজেই নিশ্চিত করেছেন। (২০ এপ্রিল) এ তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, দ্বিতীয় দফায় গত তিনদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যক্তিগতভাবে এলাকার দিন মুজুর, খেটে খাওয়া মানুষজনসহ অসহায় মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী প্রতি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দদের কাছে পোঁছে দেওয়া আবার শুরু করেছি।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি আবারও বলছি, আমার বরাদ্দগুলো দেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষদের কাছে যাতে ভোটার আইডি কার্ড না চাওয়া হয়। দয়া করে যারা পাওয়ার যোগ্য এবং যাদের প্রয়োজন তাদের কেই যেন দেওয়া হয়।

এসময় ত্রাণ কার্যক্রমে গত এক মাস যাবৎ যারা কাজ করছেন বিশেষ করে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমানসহ সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

নিজ উদ্যোগে নিজের নির্বাচনী এলাকার ৫০ হাজার পরিবারের মাঝে এসব খাদ্যসামগ্রি বিতরণ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিলে পুরো একমাসের বেতন দান করেছেন তিনি।

জানা গেছে, প্রতিমন্ত্রীর ত্রাণ সামগ্রির মধ্যে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ২ কেজি পেঁয়াজ, ২ লিটার তেল, একটি সাবান এবং ২টি করে মাস্ক রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap