গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীও কষ্ট পেয়েছেন

গার্মেন্টস শ্রমিকদের যদি আনতে হয়। তাহলে তাদের থাকা ও কাজ করার পর্যাপ্ত সেফটি না দিয়ে আনা যাবে না বলে প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গতবার যেমন হুট করে সুপারভাইজার দিয়ে তাদের খবর দেওয়া হয়েছে। কি কষ্টে হেঁটে তারা ঢাকায় এসেছে। ঢাকায় এসে আবার থাকার জায়গা পায়নি। সেটা যেন না হয়।’

ঢাকা ও আশেপাশের কারখানায় নিয়োজিত পোশাক কর্মীদের গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে আনা ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গাজীপুর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এমন মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুপারভাইজারকে দিয়ে শ্রমিকদের ফোন করানো হলো। এভাবে শ্রমিকদের ডেকে আনা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি। মাইলের পর মাইল হেঁটে এসেছে। অনেক বাবা তার মেয়েকে নিয়ে এসেছেন। গাড়িঘোড়া বন্ধ ছিল। শ্রমিকদের আনার ব্যবস্থা যেমন করা হবে, নেওয়ার ব্যবস্থাও করতে হবে।’

গাজীপুরে শিল্প কারখানা খোলা রাখার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘লকডাউন নিশ্চিত করে সীমিত পর্যায়ে হলেও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। সেটি কীভাবে করা যায় নিশ্চিত করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কনফারেন্স শুরু হয়েছে। সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এই ভিডিও কনফারেন্স শুরু হয়।

ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী করোনাভাইরাস নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেবেন এবং সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর অবস্থা জানবেন।

আজ ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জ জেলা এবং ময়মনসিংহ বিভাগের জেলাগুলোর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap