ঝুঁকি মোকাবিলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গাড়ি প্রবেশে নিয়ন্ত্রণ

করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মোকাবিলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গাড়ি ও কর্মীর সংখ্যা কমানোর উদ্দেশ্যে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে জাতিসংঘের বিশ্বখাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং পদ্ধতি তৈরি করেছে। যেন মানবিক সহায়তা দানকারী সংস্থাগুলো সময়মতো জরুরি সেবাগুলো চালিয়ে যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ডব্লিউএফপি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর ফলে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্যাম্পে গাড়ির প্রবেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

এপ্রিল মাসের শুরুতে ক্যাম্পে প্রবেশ সীমিত থাকাকালীন সময়ে আরআরআরসি প্রতিদিন গাড়ির একটি তালিকা অনুমোদন করত। সেই তালিকা অনুযায়ী স্থানীয় ও জাতীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রতিটি গাড়ির অনুমোদনপত্র ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে যাচাই করে দেখতো, যার ফলে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত গাড়িগুলোকে অপেক্ষা করতে হতো এবং ক্যাম্পে মানবিক সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনের চেয়ে কম সময় পাওয়া যেত।

এই প্রক্রিয়াটিকে দ্রুততর করতে ও একে আরও সুদক্ষ করে তুলতে হিউম্যানিটেরিয়ান একসেস প্রজেক্ট-এর আওতায় ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং পদ্ধতি তৈরি করা হয়েছে, যাতে করে গাড়িগুলোর দেরি না হয় এবং চেকপয়েন্টে অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা যায়। এছাড়াও, যাত্রী ও চালকদেরকে এখন গাড়ি থেকে নেমে নির্ধারিত বইয়ে স্বাক্ষর করতে না হওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষের পক্ষে শারীরিক দূরত্বের ব্যাপারটি চর্চা করতেও সহায়ক হচ্ছে।

চেকপয়েন্টে কোন সংস্থার কোন গাড়ি ক্যাম্পে যাচ্ছে তা চিহ্নিত করতে কর্তৃপক্ষকে গাড়িগুলোর জন্য নির্ধারিত কিউআর কোড স্ক্যান করার কাজে সহায়তা করছেন ডব্লিউএফপি-এর কর্মীরা, যার ফলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই গাড়িগুলোকে চিহ্নিত করে ক্যাম্পে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap