৯৪ জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে দুদক

দেশের বিভিন্ন জেলার ৯৪ জনপ্রতিনিধির (ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার) বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। করোনা মহামারিতে সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির সুবিধাদি আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এই সব জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে।

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কমিশনের অভিযোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এ কে এম সোহেলের নেতৃত্বে যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে কমিশন এই ৯৪ জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, এই জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে সরকারি ত্রাণ আত্মসাৎ, ভুয়া মাস্টাররোলের মাধ্যমে সরকারি চাল আত্মসাৎ, সরকারি ১০ টাকা কেজির চাল কালোবাজারে বিক্রি, জেলেদের ভিজিএফ-এর চাল আত্মসাৎ, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দরিদ্রদের সাহায্যের তালিকায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম, উপকারভোগীদের ভুয়া তালিকা প্রণয়ন করে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির সামগ্রী আত্মসাৎ ইত্যাদি রয়েছে।

এই বিষয়ে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেন, ইতোমধ্যে কমিশন সরকারের সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচির বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে ২১টি মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলায় অনেকে গ্রেফতারও হয়েছেন। মামলাগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। নতুন করে এই ৯৪ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ত্রাণ দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদক কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

দুদক জানায়, এই ৯৪ জন প্রতিনিধিদের মধ্যে ৩০ জন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ৬৪ জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। এসব জনপ্রতিনিধিদের ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »
Share via
Copy link
Powered by Social Snap